মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, সহ-সম্পাদক : প্রকৃতিতে এখনও হেমন্ত কাল চললেও শীতের হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করেছে। মোটামুটি শীত শীত অনুভূত হচ্ছে। শীতে সবার প্রথমে মানবদেহের যে অঙ্গটি আক্রান্ত হয়, সেটা হলো ঠোঁট। শীতে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে কমতে শুরু করে। এর ফলে হাত, পায়ের চামড়ার পাশাপাশি শুকিয়ে যায় ঠোঁটও।
অনেকের ঠোঁট ফেটে গিয়ে সেখান থেকে রক্তপাত হতেও দেখা যায়। ঠোঁটের ফাটা অংশ ক্রমে ঘায়ে পরিণত হতে পারে। ত্বকের মতোই ঠোঁটের যত্নে অনেকেই বাজারচলতি প্রসাধনীর ওপর ভরসা রাখেন। কিন্তু সকলের জন্য তা সমান ভাবে কাজ নাও করতে পারে। তবে ঠোঁটের যত্নে ঘরোয়া কয়েকটি উপাদান রয়েছে, যা নিয়মিত ব্যবহার করলে শীত আসার আগেই ফাটা ঠোঁট মোলায়েম হয়ে যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী কী উপাদানে নরম থাকবে ঠোঁট।
মধু
প্রাকৃতিক ভাবে ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে মধু। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মধুর পাতলা মিশ্রণ ঠোঁটে মেখে নিন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। ফাটা ঠোঁট মসৃণ হবে সহজেই।
নারকেল তেল
নারকেল তেলের মধ্যে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড ঠোঁট নরম রাখে। বার বার লিপ বাম না মেখে একফোঁটা নারকেল তেল মাখলেই সারা দিন ঠোঁট পেলব থাকবে।
অ্যালোভেরা
মাথার চুল থেকে ত্বক, সবকিছুর খেয়াল রাখে অ্যালো ভেরা। ফাটা ঠোঁটের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা। গাছের পাতা থেকে শাঁস বার করে বা দোকান থেকে ভাল মানের জেল কিনে প্রতি দিন ঠোঁটে মাখতে পারেন অ্যালোভেরা।
শসা
শসার মধ্যে পানির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। তাই ঠোঁটে শসার রস মাখলে ত্বকে পানির ঘাটতি পূরণ হয়। তা ছাড়া শসার টুকরো কেটে চোখে দেওয়ার মতো ঠোঁটেও দিতে পারেন। ফাটা ঠোঁট সারিয়ে তোলার পাশাপাশি ঠোঁটের কালচে দাগও দূর করবে।
গ্রিন টি
সারা দিনে অনেক বার গ্রিন টি খান। তবে টি ব্যাগগুলো ফেলে না দিয়ে ফাটা ঠোঁটের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। গ্রিন টি-র অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ফাটা ঠোঁটের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
মডেল : লাভলী লিপি